মোট পৃষ্ঠাদর্শন

EarnStation থেকে প্রতিদিন আয় করুন ১০-২০ ডলার(Speacial টিপস)

ইউটিউব এ যদি অনলাইন আর্নিং লিখে সার্চ দেন তবে দেখবেন বিভিন্ন চ্যানেল এ লেখা প্রতিদিন আয় করুন ১০০-২০০ ডলার।আমি ভাবলাম আসলেই কি সম্ভব যেখানে একজন ফ্রীলাঞ্চার ভাল কাজ জানলে দৈনিক ৫০-১০০ ডলার আয় করাই কঠিন। তাই ভাবলাম একটু ঘাটাঘাটি করে দেখি।আমি বিভিন্ন ভাবে সার্চ করে এবং ভিডিও দেখে যেটা বুঝলাম বেশিরভাগ ভিডিও তে বিভিন্ন সাইট এর কথা বলছে যেখানে অ্যাড দেখে বা সফটওয়্যার ইন্সটল করলে ২-৫ সেন্ট করে দেয়।যেখানে অনেক কাজ করলে হইত ১-২ ডলার সর্বচ্চ আয় করা যায়।আবার এই সব সাইট এর বেশিরভাগ ভুয়া।তাহলে চিন্তা করলাম আসলে পেমেন্ট করে এইটা বুঝব কিভাবে?এই জন্য আমি একটা সার্ভে করলাম যে কোন সাইট এর ভিডিও সবচেয়ে বেশি। দেখলাম বেশিরভাগ ভিডিও তে EarnStation এর কথা আলোচনা করা হয়েছে। আর এর প্রসেস টাও অনেক সহজ।তাই আমিও রেজিস্ট্রেশান করে ফেললাম।
আপনার সঠিক ইনফরমেশন দিয়ে সাইনআপ করুন
করুন। http://www.earnstations.com
 এখানে  রেজিস্ট্রেশান অনেক সহজ প্রথমে এই লিঙ্ক এ যান।তারপর আপনার তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরণ  করুন। করার পর REGISTER বাটন এ ক্লিক করুন।মনে রাখবেন এই সাইট এ রেজিস্ট্রেশান করতে অবশ্যই আপনাকে  Referral ID দিতে হবে।Referral ID ছাড়া আপনি রেজিস্ট্রেশান করতে পারবেন না।আমি try করছিলাম কিন্তু পারি নাই। ভাবলাম কার না কার Referral ID দিব। কিন্তু দুর্ভাগ্য হইল না।Referral ID হিসেবে আপনি আমার Referral ID ব্যবহার করতে পারেন।
Referral ID 15107774032326



REGISTER এ ক্লিক করার পর আপনার একটা ইমেইল যাবে আপনার ইমেইল এড্রেস এ।সেখানে Click Here লিঙ্ক এ ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভ করবেন।এরপর আপনি লগইন করবেন।


অটোমেটিক লগইন না হলে লগইন করুন।



লগইন করার পর আপনাকে আপনার ড্যাশবোর্ড এ নিয়ে যাবে। সেখানে Watch নাম এ একটা লিঙ্ক দেখতে পাবেন। লিঙ্ক এ ক্লিক করলে আপনাকে ২০ তা ভিডিও এর লিঙ্ক দিবে সেখানে আপনাকে ওই ২০টা ভিডিও দেখতে হবে। মনে রাখবেন প্রত্যেকদিন আপনাকে ২০ টা ভিডিও দিবে এবং ওই ২০ টা ভিডিও দেখতে হবে। প্রত্যেকটা ভিডিও কমপক্ষে ৩ মিনিট দেখতে হবে।


দেখার পর তাঁর নিচে আরেকটা লিঙ্ক দেয়া থাকবে। সেই লিঙ্ক এ ওঁই ভিডিও এর ইউটিউব লিঙ্ক দেয়া থাকবে। আপনাকে প্রত্যেকটা ভিডিও লাইক টিউমেন্ট এবং শেয়ার করতে হবে।



Special টিপস

এখন আমি আপনাদের একটা special টিপস দিবো যাতে আপনি সবচেয়ে কম সময়ে ভিডিও দেখতে এবং আয় করতে পারবেন। আপনি যেটা করবেন আপনার ভলিউম টা বন্ধ করে নিবেন। তারপর আপনি সবগুলা ভিডিও নতুন ট্যাব এ ওপেন করবেন তারপর ভিডিও গুলা চালু করবেন। তিন মিনিট পর সবগুলা ভিডিও বন্ধ করে দিবেন। তাহলেই আপনার আয় চলে আসবে। আরেকটা মজার টিপস আপনাদের দিবো যেটা আমি পরে বুঝতে পারছি।আমি যখন শুধু  ভিডিও দেখতেছিলাম কিন্তু আমি কোন লাইক টিউমেন্ট বা শেয়ার করতেছিলাম না তারপর ও আয় বাড়তেছিল। তাঁর মানে তারা ওইটা ট্রাক করতে পারে না। এখন বলতে পারেন পরে যদি সমস্যা হয়। হ্যাঁ তবে হাজার হাজার অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার অ্যাকাউন্ট খুঁজে বের করা এবং আপনি বিভিন্ন social মিডিয়া তে শেয়ার করতে পারেন সবগুলো  ট্রাক করা আমার মনে হয় সম্ভব না।যে কোন সমস্যায় পরলে আমাকে জানাবেন।আমি সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ সবাইকে। আমার টিউন যদি আপনাদের ভাল লাগে তবে অবশ্যই টিউমেন্ট করে জানাবেন।

( বিঃদ্রঃ পোস্টটি আরনিঙ্গয়ার ডট কম সাইট থেকে কপি করা)
Read more ...

ব্লু হোয়েল থেকেও বিপদজনক কয়েকটি গেম থেকে সাবধান হোন।

‘ব্লু হোয়েল’ নামের অনলাইন গেম এর মধ্যেই বেশ আলোড়ন তুলেছে। বিশ্বজুড়ে তরুণ-তরুণীর প্রাণ কেড়ে নেওয়া ঘাতক এই গেম ছড়িয়ে পড়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে। বাংলাদেশেরও কেউ কেউ এ ধরনের গেম খেলতে শুরু করেছে বলে আভাস মিলছে সামাজিক মাধ্যমে। শুধু তা-ই নয়, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গেম বা গেমের আদলে চ্যালেঞ্জের নামে অনলাইনভিত্তিক বেশ কিছু খেলা খেলছে বাংলাদেশের কিছু কিশোর-তরুণ। এ ব্যাপারে সতর্কতা ও সচেতনতা তৈরি করা এখনই দরকার।
এই খেলাগুলো কতটা ভয়াবহ, তা এর ধরন দেখলেই বোঝা যায়। কোনো সুস্থ মানুষের পক্ষে এ ধরনের খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না। রোমাঞ্চের নেশায় তরুণদের কেউ কেউ ‘দেখি না কী হয়’ কৌতূহল থেকে এ ধরনের খেলা শুরু করে। মূলত এখানে একজনকে দুঃসাহসী কিছু করার চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়, যার অনেকগুলোই সহিংস, আক্রমণাত্মক। মানসিকতার দিক দিয়ে অসুস্থ। তাই সেটি শুধু নেহাত খেলার মধ্যে থাকে না।
এ ধরনের খেলা বা চ্যালেঞ্জের ব্যাপারে আগেই ধারণা পাওয়া গেলেও আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে ভেবে তা নিয়ে সেভাবে লেখা হয়নি। কিন্তু মূলধারার সংবাদমাধ্যমই তো এখন তথ্য পাওয়ার একমাত্র উৎস নয়। ফেসবুকের বিভিন্ন ক্লোজড গ্রুপ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, সামাজিক মাধ্যম যেহেতু তরুণদের খুব প্রিয়, তারই সূত্র ধরে এরই মধ্যে এ ধরনের কিছু কিছু চ্যালেঞ্জের খেলা শুরু হয়ে গেছে।
ভারতে এই খেলাগুলো নিয়ে অভিভাবক মহলে দুশ্চিন্তা বাড়ছে বলে জানা গেছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে। বাংলাদেশে এখনো অনেকটা সীমিত আকারেই আছে এসব ভয়ানক খেলা। কিন্তু এখনই সবার সতর্কতা জরুরি। একটা বারুদের কাঠি থেকেও বিশাল অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে।
এই চ্যালেঞ্জগুলোর ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু লেখা হলো না অনিবার্য কারণেই। শুধু সতর্কতার জন্য গেমগুলো সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিয়ে রাখা হলো। আপনার কাছের কেউ এই চ্যালেঞ্জগুলোয় জড়িয়ে পড়ছে কি না, খোঁজ নিয়ে তাকে বিরত রাখুন।
দ্য চোকিং গেম/চ্যালেঞ্জ
বন্ধুর গলা চেপে তাকে বেহুঁশ করতে হবে। এমন বিদঘুটে চ্যালেঞ্জ সামাজিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বেশ কিছুদিন ধরে। উদ্দেশ্য জ্ঞান ফেরার পর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়া। স্পেস মাঙ্কি, ব্ল্যাকআউট, নকআউট ইত্যাদি নামেও এই গেমের চল রয়েছে।


‌‌‘ব্লু হোয়েল’ নামের অনলাইন গেম এর মধ্যেই বেশ আলোড়ন তুলেছে। বিশ্বজুড়ে তরুণ-তরুণীর প্রাণ কেড়ে নেওয়া ঘাতক এই গেম ছড়িয়ে পড়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে। বাংলাদেশেরও কেউ কেউ এ ধরনের গেম খেলতে শুরু করেছে বলে আভাস মিলছে সামাজিক মাধ্যমে। শুধু তা-ই নয়, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গেম বা গেমের আদলে চ্যালেঞ্জের নামে অনলাইনভিত্তিক বেশ কিছু খেলা খেলছে বাংলাদেশের কিছু কিশোর-তরুণ। এ ব্যাপারে সতর্কতা ও সচেতনতা তৈরি করা এখনই দরকার।
এই খেলাগুলো কতটা ভয়াবহ, তা এর ধরন দেখলেই বোঝা যায়। কোনো সুস্থ মানুষের পক্ষে এ ধরনের খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না। রোমাঞ্চের নেশায় তরুণদের কেউ কেউ ‘দেখি না কী হয়’ কৌতূহল থেকে এ ধরনের খেলা শুরু করে। মূলত এখানে একজনকে দুঃসাহসী কিছু করার চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়, যার অনেকগুলোই সহিংস, আক্রমণাত্মক। মানসিকতার দিক দিয়ে অসুস্থ। তাই সেটি শুধু নেহাত খেলার মধ্যে থাকে না।
এ ধরনের খেলা বা চ্যালেঞ্জের ব্যাপারে আগেই ধারণা পাওয়া গেলেও আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে ভেবে তা নিয়ে সেভাবে লেখা হয়নি। কিন্তু মূলধারার সংবাদমাধ্যমই তো এখন তথ্য পাওয়ার একমাত্র উৎস নয়। ফেসবুকের বিভিন্ন ক্লোজড গ্রুপ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, সামাজিক মাধ্যম যেহেতু তরুণদের খুব প্রিয়, তারই সূত্র ধরে এরই মধ্যে এ ধরনের কিছু কিছু চ্যালেঞ্জের খেলা শুরু হয়ে গেছে।
ভারতে এই খেলাগুলো নিয়ে অভিভাবক মহলে দুশ্চিন্তা বাড়ছে বলে জানা গেছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে। বাংলাদেশে এখনো অনেকটা সীমিত আকারেই আছে এসব ভয়ানক খেলা। কিন্তু এখনই সবার সতর্কতা জরুরি। একটা বারুদের কাঠি থেকেও বিশাল অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে।
এই চ্যালেঞ্জগুলোর ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু লেখা হলো না অনিবার্য কারণেই। শুধু সতর্কতার জন্য গেমগুলো সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিয়ে রাখা হলো। আপনার কাছের কেউ এই চ্যালেঞ্জগুলোয় জড়িয়ে পড়ছে কি না, খোঁজ নিয়ে তাকে বিরত রাখুন।

দ্য চোকিং গেম/চ্যালেঞ্জ
বন্ধুর গলা চেপে তাকে বেহুঁশ করতে হবে। এমন বিদঘুটে চ্যালেঞ্জ সামাজিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বেশ কিছুদিন ধরে। উদ্দেশ্য জ্ঞান ফেরার পর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়া। স্পেস মাঙ্কি, ব্ল্যাকআউট, নকআউট ইত্যাদি নামেও এই গেমের চল রয়েছে।

ডাক্ট টেপ চ্যালেঞ্জ
ডাক্ট টেপ পেঁচিয়ে ব্যবহারকারীকে একটি চেয়ারে আটকে রাখা হয়। ১৮০ সেকেন্ডের মধ্যে পালাতে হবে এর থেকে। পালানোর পুরো ঘটনা ভিডিও করে আপলোড করা হয় বিভিন্ন পোর্টালে। বেমক্কা চেয়ার উল্টে অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছে।
ঘোস্ট পেপার চ্যালেঞ্জ
মরিচের সবচেয়ে ঝাল একটি প্রজাতির নাম ‌‘ভূত জোলোকিয়া’, বাংলায় বলতে পারেন ভুতুড়ে মরিচ। এই মরিচ মুখে রেখে নিজেদের প্রতিক্রিয়া রেকর্ড করে কিশোর-কিশোরীরা। এই চ্যালেঞ্জ নিয়ে মুখে জ্বালাপোড়াসহ শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেকেই হাসপাতালে গিয়েছে।
আইস সল্ট চ্যালেঞ্জ
হাতের মুঠোয় লবণ ও বরফ ধরে রাখতে হয়। অসহ্য যন্ত্রণার এই অনুভূতি কে সবচেয়ে বেশিক্ষণ সহ্য করতে পারে, সেটাই দেখা হয়। হাতে ক্ষত সৃষ্টি হওয়া থেকে শুরু করে ইনফেকশনও হতে পারে।
আইবল চ্যালেঞ্জ
চোখ মদের বোতলে রেখে বোতল উপুড় করে ধরে রাখা হয়। আবারও সেই একই ব্যাপার। যন্ত্রণা কতক্ষণ সহ্য করা যায়, তারই পরীক্ষা।

 দারুচিনি চ্যালেঞ্জ
দারুচিনি গুঁড়ো পানি ছাড়া মুখে পুরে রাখা হয়। মুখের ইনফেকশন ঘটার আশঙ্কা থাকে। এ ধরনের সব চ্যালেঞ্জই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হয়। তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ডকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। পাশাপাশি অনলাইনে যাতে এসব গেম না পাওয়া যায়, তারও ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
Read more ...

যে পাসওয়ার্ড গুলি আপনার জন্য বিপদজনক।

যাঁরা এখনো বিভিন্ন অনলাইন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হিসেবে ইংরেজি ওয়ান থেকে সিক্স (123456) সংখ্যা ব্যবহার করছেন, তাঁদের সতর্ক থাকতে বলেছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। চলতি বছরে সবচেয়ে বিপজ্জনক পাসওয়ার্ডের তালিকায় শীর্ষে আছে এটি।
অনলাইন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পাসওয়ার্ড হিসেবে ক্রমিক ১ থেকে ৯ নম্বর সংখ্যাগুলো পরপর বসালে বা প্রচলিত অন্যান্য সহজ অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে, তা সহজে হ্যাক করা যায়। এ ধরনের পাসওয়ার্ডের মধ্যে আছে কোয়ার্টি, পাসওয়ার্ড, গুগল শব্দগুলো।
গবেষকেরা জটিল এবং সংখ্যা, অক্ষর ও চিহ্নের সমন্বয়ে বা জটিল বাক্যাংশ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইন্টারনেট নিরাপদ রাখতে অ্যান্টিভাইরাসসহ নানা ওয়েব টুল রয়েছে। তবে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তায় জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেকেই সহজে অনুমান করা যায়—এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন। এ ধরনের সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা বিপজ্জনক।
পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কিপার সিকিউরিটি ২০১৭ সালের সবচেয়ে ‘প্রচলিত পাসওয়ার্ড’গুলোর একটি তালিকা তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের পাসওয়ার্ড অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তায় ব্যবহার করা বিপজ্জনক। ২০১৬ সালে ফাঁস হওয়া প্রায় এক কোটি পাসওয়ার্ড বিশ্লেষণ করে প্রতিষ্ঠানটি এ তালিকা তৈরি করেছে।
কিপার সিকিউরিটির ২৫টি বিপজ্জনক পাসওয়ার্ড দেখে নিন:
123456
123456789
qwerty
12345678
111111
1234567890
1234567
password
123123
987654321
qwertyuiop
mynoob
123321
666666
18 atcskd2w
7777777
1 q2 w3 e4r
654321
555555
3 rjs1 la7 qe
google
1 q2 w3 e4 r5t
123 qwe
zxcvbnm
1 q2 w3 e
Read more ...

মোবাইল ম্যাসেজ গুলোর ব্যাকআপ নিন অ্যাপ দিয়ে


সবার ফোনেই প্রিয় এমন কিছু এসএমএস থাকে যেগুলো সবসময় রাখতে ইচ্ছা করে। আর এ থেকেই চলে আসে ওগুলো হারাবার ভয়! এ ঝামেলা থেকে বাচতেই এসএমএস গুলোর ব্যাকআপ রাখা জরুরি। আর এন্দ্রয়েড ফোনে ব্যাকআপ রাখা আরো সহজ। তাহলে কেন আর ভয়ে ভয়ে থাকবেন?
Sms Backup & Restore অ্যাপ্লিকেশানটি এমনই একটি চমৎকার জিনিস যে এটার সাহায্যে আনায়াসে যে কেউ তার এসএমএস গুলোর ব্যাকআপ রাখতে পারবেন। এবং এই অ্যাপ্লিকেশানটি দিয়েই আবার রিস্টোর করতে পারবেন ব্যাকআপ করা এসএমএস গুলো। তাছাড়া এসএমএস ডিলিট করা, ব্যাকআপ রিমুভ করা এমনকি ব্যাকআপ করা এসএমএস গুলো সরাসরি ইমেইল করার ব্যবস্থাও আছে এতে। তাহলে আর দেরি কেন?
এখনই ডাউনলোড করে নিন SMS BACKUP+
আর যেন ভুলেও হারিয়ে না যায় আপনার প্রিয় এসএমএস গুলো!!! ধন্যবাদ।
Read more ...

বিশ্বসেরা যে দশ টি রোবট পতঙ্গ তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা।



কেমন হতো যদি পিপড়াদের মতো ছোট প্রাণীদের পোষ মানানো যেতো? কেমন হতো যদি ফড়িংকে দিয়ে শত্রুপক্ষের অবস্থান ও গোপন সংবাদ হাসিল করানো যেতো? বাস্তবে হয়তো এসব প্রাণীদের দিয়ে এম কিছু করা যাবে না, কিন্তু তাই বলে বিজ্ঞানীরা বসে থাকেননি। তাঁরা ক্ষুদ্র পোকা-মাকড়ের মতো করে রোবট বানিয়ে যাচ্ছেন। আকারে বড় হবার কারণে মানুষ যেখানে যেতে পারে না, ছোট বা সংকুচিত স্থান হবার কারণে যাওয়া সম্ভবও নয়, সেখানে এদের দিয়ে কাজ করানো যাবে ইচ্ছে মতো। এমন ধরনের কয়েকটি পতঙ্গ রোবট নিয়ে আজকের আয়োজন।
. রোবট মৌমাছি (Robobee)
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক এই রোবট-মৌমাছি তৈরি করেন। এটি নিজে নিজেই উড়তে পারে। পাখার নিচে থাকে কন্ট্রোল প্যানেল। কন্ট্রোল প্যানেলের সাহায্যে একে নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনা দেয়া হয়। এর পাখা প্রতি সেকেন্ডে ১২০ বার উঠানামা করাতে পারে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে সহজে উড়ে যাবার জন্য, আগুন লেগে তৈরি দুর্ঘটনায় (যেখানে মানুষ প্রবেশ করতে পারে না), এমনকি ফুলের কৃত্রিম পরাগায়নেও এদের কাজে লাগানো যাবে। আকৃতির দিক থেকে এগুলো কেমন ছোট তা একটি উদাহরণে বুঝা যাবে। এরকম এক হাজারটা মৌমাছি যদি একত্রে নেয়া হয় তবে তাদের ভর হবে আধা কেজির মতো!
. রোবট পিপড়া
১৯৯০ সালেই পিপড়া রোবট বানানোর পরিকল্পনা শুরু হয়। এই ধরনের রোবটের ডিজাইন চিন্তা-ভাবনা করেন ম্যাসাচুসেট ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির ছাত্র জেমস ম্যাকলারকিন। তার তৈরি করা রোবট পিঁপড়ার ভেতরে একটি ছোট কম্পিউটার, আলোক সংকেত শনাক্ত করার সেন্সর, দুটি মোটর ছিল। একটি মোটরের সাহায্যে চলাচল করতো এবং আরেকটি ব্যাবহার করত দাঁত (ম্যান্ডিবল) নাড়াচাড়া করার কাজে। লম্বায় মাত্র ১ ইঞ্চি। লুকিয়ে রাখা বা হারিয়ে যাওয়া কোনো বস্তু খুঁজে পেতে এই রোবট কাজে লাগবে। সরু সুরঙ্গের ভেতর থেকে কোনো তথ্য বা ভিডিও করে আনতে এগুলো উত্তমভাবে ব্যবহার করা যাবে। ধীরে ধীরে একে আধুনিক করা হচ্ছে। আধুনিক সংস্করণে সুবিধা থাকছে বেশি, দাম পড়ছে কম।
. ড্রাগন ফ্লাই
জর্জিয়া টেকের একদল গবেষক ড্রাগন-ফ্লাই নামক এই রোবটটি তৈরি করেন। এর চার কোনায় চারটি পাখা। আকারে তেমন বড় নয়, হাতের তালুতেই সহজে জায়গা করে নিতে পারবে। বিমান বা হেলিকপ্টারের মতো করে উড়তে পারে এই পতঙ্গ-রোবট। যেখানে মানুষ যেতে পারে না বা গেলে কৌশলগত কারণে কিছু সমস্যার দেখা দেয় এরকম নিষিদ্ধ বা গোপন জায়গা থেকে খুব সহজেই তথ্য পৌঁছে দিতে পারে। পাশাপাশি করতে পারে ভিডিও। এমনভাবে উড়ে যে, কেউ দেখলে সত্যিকারের পোকা বলেই মনে করে; বুঝতে পারে না এটা একটা যন্ত্র।
. রোবট তেলাপোকা
২০০৯ সালে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই রোবট-তেলাপোকাটি তৈরি করেন। তাঁরা ছয়-পাওয়ালা ক্ষুদ্র রোবট তৈরি করতে চাইছিলেন। ছয় পায়ের ধারণা থেকে ছয়-পাওয়ালা তেলাপোকা রোবট তৈরি করে ফেলেন। দৈর্ঘ্যে ১০ সেন্টিমিটার। এই ক্ষেত্রে ১০ সেন্টিমিটার মোটামুটি ভালোই বড়। তবে বড় হলেও এর চলাচলের গতিতে কোনো সমস্যা হয় না। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন মিটার যেতে পারে। এই দিক থেকে এটি বিশেষ ধরনের। এটি এমন দ্রুত গতির রোবট যা ১ সেকেন্ডে তার দেহের দৈর্ঘ্যের ২৬ গুণ দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।
. হেক্টর
এটিও ছয় পা-ওয়ালা রোবট। তবে একে তেলাপোকা থেকেও একটু টেকসই করে গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু এক দিক থেকে সুবিধা বেশি পেলে অন্য দিক দিয়ে কমে যায়। এরও হল তাই, টেকসই হলেও এটি তেলাপোকার মতো উন্নত নয়। তবে এটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজে ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। যে কাজগুলো দেখতে ছোটখাটো কিন্তু মানুষ সেগুলো করতে পারে না সেই কাজগুলো করবে হেক্টর নামের এই ক্ষুদ্র রোবট।
. চতুর্মুখী কপ্টার
হাঁটতে, দৌড়াতে ও উড়তে পারে বলেই এর এই নাম- ‘চতুর্মুখী কপ্টার’। কার্বন ফাইবারের ফ্রেমে তৈরি এই রোবটে ৬ টি ঘূর্ণায়মান অংশ (rotor) আছে। এগুলো ভারসাম্য রক্ষা করে এবং চলতে সাহায্য করে। এর উদ্ভাবক Mad Lab Industries-এর একজন সদস্য। নিছক মজা করার জন্য এই অদ্ভুত রোবট তৈরি করেছিল তারা। সংস্থার নামই তো ‘ম্যাড’! তবে মজা করে তৈরি করলেও এটি এমন পারফরমেন্স দেখিয়েছে যে একে দেখলে যে কেউই বলবে এটি ভবিষ্যতের রোবটের জন্য মডেল হতে যাচ্ছে।
. রোবট উইপোকা
আসবাবপত্র আর কাঠ কুড়কুড় করে খেয়ে ফেলা পোকাকে বেছে নেয়া হয়েছে রোবট বানানোর নমুনা হিসেবে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই কৃত্রিম রোবট-উইপোকা তৈরি করেন। এর পেছনে কাজ করেছেন কম্পিউটার বিজ্ঞানী রাধিকা নাগপাল, এবং তার সহকর্মীরা। রোবট-উইপোকারা ক্ষুদ্র স্থাপনা তৈরি করতে পারে। ক্ষুদ্র ইট সাজিয়ে সাজিয়ে এরা সিঁড়ি বানাতে পারে। চলার পথে উঁচু কোনো বাধা পড়লে নিজে নিজেই ইট বিছিয়ে বাধার সমান উঁচু হয়ে পার হয়ে যেতে পারে। ভবিষ্যতে নির্মাণ কাজে, নির্মাণ কাজে মানুষকে সাহায্য করতে তাদের ব্যাবহার করা যেতে পারে।
. ছোট তেলাপোকা
এরা দেখতে স্বাভাবিক জীবন্ত তেলাপোকার মতোই। তবে আকৃতিতে ছোট। আগে উল্লেখ করা তেলাপোকারা তাদের কাজে অনেক সচল। সেই তুলনায় এটা এতটা সচল নয়। তবে এদের একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এরা কয়েকটি রোবট খুব সুন্দরভাবে একসাথে মিলতে পারে। অনেকটা ফুটবল খেলার টিমের মতো। তার ফলে মনে হয় এরা সত্যিকারের কোনো তেলাপোকা। এদেরকে আগে উল্লেখ করা তেলাপোকার সাথে ব্যাবহার করা যেতে পারে। ফলে সহজে মানুষের চোখকে ফাঁকি দেয়া যাবে।
. রোবট প্রজাপতি
জাপানি গবেষকদের দ্বারা তৈরি হয়েছে এই রোবট প্রজাপতি। এটি হয়তো প্রকৃতির প্রজাপতির মতো অনিন্দ্য সুন্দর নয়, কিন্তু তারপরেও খুব কাজের। আকার-আকৃতিতে আসল প্রজাপতির মতো। চালাতে বাইরে থেকে নজরদারি করা লাগে না। সামনে কোনো বাধা থাকলে এটি নিজে নিজেই তা অতিক্রম করে যেতে পারে।
১০. গোয়েন্দা প্রজাপতি রোবট
ইজরাইলের বিজ্ঞানীরা এমন এক প্রজাপতি রোবট তৈরি করেছেন যা পুরোদস্তর গোয়েন্দার কাজ করতে পারবে। ভরে মাত্র ২০ গ্রাম। ভবনের ভিতরে থাকা কোনো কিছুর তথ্য উদ্ঘাটন ও সংগ্রহের জন্য একে উপযুক্ত করে বানানো হয়েছে। এর সাথে খুবই ক্ষুদ্রাকৃতির ক্যামেরা ও মেমোরি কার্ডও জুড়ে দেয়া হয়েছে। রোবটটির সাথে একটি হেলমেটের সম্পর্ক আছে। যখন কেও এই হেলমেটটি মাথায় পরবে তখন এই রোবটটি যা দেখে অর্থাৎ ক্যামেরায় যা ধরা পড়ে অনেক অনেক মাইল দূরে থেকে হেলমেট পরিহিত লোকটিও তাই দেখতে পায়।
Read more ...

আপনি মনে মনে যা চিন্তা করবেন এখন ফেচবুকে তাই লিখা হবে!


প্রযুক্তি বিশ্ব প্রতিদিন নিয়ে আসছে নিত্যনতুন চমক। এর মুখ্য ভুমিকা পালন করছে ফেচবুক ও গুগল। এরই ধারাবাহিকতায় ফেচবুক নিয়ে আসছে চিন্তার মাধ্যমে লিখার পদ্ধতি। যা আরও গতিশীল করবে প্রযুক্তির ব্যবহার। বিশেষ করে ফেচবুকের কোটি গ্রাহকের মাধ্যমে এই গ্রহটাকে করে তুলবে প্রযুক্তির উৎকৃষ্ট মহল্যা।
ফেসবুক এমন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে যাতে চিন্তার মাধ্যমে টাইপ করা যাবে এবং “চামড়ার মাধ্যমে শোনা যাবে”।
সামাজিক মাধ্যমটি ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস প্রযুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে আপনাকে আপনার মন-সংযোগের মাধ্যমে যোগাযোগের সুবিধা দিতে চাইছে। ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ সম্প্রতি এমন বিবৃতি দিয়েছে।
বিল্ডিং এইট (Building 8) নামক ফেসবুক গবেষণাগারে এই ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। এর আগে এই ভবনটির ব্যাপারে খুব সামান্য তথ্যই প্রকাশ্য ছিলো। কিন্তু গত বুধবারে ফেসবুকের ঘোষনার মাধ্যমে এর কর্মকান্ডের বিস্তারিত উদ্ঘটিত হয়।
বিল্ডিং এইটের প্রধান, রেজিনা ডুগান বলেছেন, তাঁর দলে ৬০ জন বিজ্ঞানী আছে যাঁরা এই মূহুর্তে দেখছেন কীভাবে শুধু মস্তিষ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করে ১০০ টি শব্দ লেখা যায়।
এর চেয়েও আরেকটি উন্নততর প্রযুক্তি নিয়েও কাজ করা হচ্ছে যার মাধ্যমে চামড়ার মাধ্যমে উচ্চরিত ভাষা শোনার ব্যবস্থা করা হবে।
ডুগানের মতে, এই গবেষণার চূড়ান্ত লক্ষ্য এতে মান্দারিন ভাষায় চিন্তা করা যাবে এবং স্প্যানিশে অনুভব করা যাবে।
Silent Language Interface
এই প্রকল্প এখনো সুদূর পরাহত তবে কোম্পানীটি মনে করে ক্রমান্বয়ে এটি আলোর মুখ দেখবে। বুধবারে জাকারবাগ একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, “ত্রমান্বয়ে আমরা একটি পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি উদ্ভাবন করব যা কারখানার স্কেলে উৎপাদন করা যাবে।”
ডুগান নিজেও তাঁর পোস্টে এই প্রযুক্তিটিকে নীরব ভাষ্য ইন্টারফেস (silent voice interface) প্রযুক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন, যাতে তিনি প্রস্তাব করেছেন এই প্রযুক্তিতে ব্যবহার কারী নিজের ভাষায় কথা বলেই গোপনভাবে বার্তা পাঠাতে পারবেন।
Read more ...

আপনি কি ইংরেজিতে কাঁচা? না কোন সমস্যা নেই এবার বাংলায় লিখে আয় করুন।


বাংলা হোক বা ইংরেজি, আদতে বিষয়টা হলো ‘কনটেন্ট রাইটিং’। বিশুদ্ধ ক্রিয়েটিভ ব্লগ থেকে শুরু করে সফ্টওয়্যার টেকনিক্যাল রাইটিং—এর মধ্যে সবকিছুই পরে। এমনকী, গোস্টরাইটিংও, যেখানে অন্য কারও বকলমে লিখতে হয়। শুধুমাত্র বাংলা বা ইংরেজি বা যে কোনও ভাষা লিখেই আয় করা যায় আর তা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভববাড়িতে বসেই। এই সব লেখা যে শুধু ওয়েব-এর জন্য, তা কিন্তু নয়। বিজ্ঞাপন জগতের কনটেন্ট রাইটার-রা মূলত লেখেন প্রোডাক্ট ব্রোশিওর, নিউজলেটার, ই-মেলার ইত্যাদি। এছাড়াও কনটেন্ট রাইটাররা কাজ করেনবিভিন্ন বই প্রকাশনা সংস্থার হয়ে, টেক্সট্ বুক রাইটার হিসেবে। এই পেশায় যাঁরা আছেন, তাঁদের একটি বড় অংশ ওয়েব-এ ‘ওয়র্ক ফ্রম হোম’ মোডে কাজ করেন। অর্থাৎ লেখাজোকা, প্রোজেক্ট ডেলিভারি, টিম মিটিং, মাসমাইনে—সবকিছুই অনলাইন। কেউ কেউআবার ‘মাস’ হিসেবে নয়, প্রোজেক্ট অনুযায়ী কাজ করতে পছন্দ করেন। সে প্রোজেক্ট এক সপ্তাহেরও হতে পারে, আবার ৬ মাসেরও হতে পারে। এর পাশাপাশি রয়েছেন ফুল-টাইম কনটেন্ট রাইটার্স, যাঁদের নির্দিষ্ট সময়ে অফিস যেতে হয় এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা ধরে কাজ করতে হয়। বহুদিন কাজ করে অভিজ্ঞতা বাড়লে, পরে কনটেন্ট এডিটর হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। কনটেন্ট রাইটিং-এর সবচেয়ে বড় কাজের বাজার কিন্তু রয়েছে ওয়েব-এই। আর সে বাজার ক্রমশ বাড়ছে। তবে শুধুমাত্র বাংলায় যদি লেখেন, তবে কাজের ক্ষেত্রটা ইংরেজি-র তুলনায় সীমিত। বাড়ি থেকে কাজ করলে
প্রথমেই আপনাকে প্রোফাইল তৈরি করতেহবে ইলান্স- ওডেস্ক(আপওয়র্ক) এবং ফ্রিলান্সার-এ। এ দু’টি ওয়েবসাইট হলো এই ধরনের কাজের সবচেয়ে বড় নেটওয়ার্ক। এখানে পাবেন দু’ধরনের প্রোফাইল—একদল যাঁরা কাজ করেন এবং অন্যদল, যাঁরা কাজ করান, অর্থাৎ ক্লায়েন্টস। সারা প়ৃথিবী থেকে লোকজন এখানে কাজের খোঁজে আসেন। শুধু কনটেন্ট নয়, ওয়েব ডিজাইনিং, প্রোগ্রামিং, ডেটা এন্ট্রি, টাইপিং এমনকী অ্যাকাউন্টস-এর কাজও থাকে। এই দুই দলকেই রেটিং করে এই ওয়েবসাইটগুলি। যিনি লিখবেন, তাঁর জন্য আছে নানা ধরনের স্কিল টেস্ট। তিনি যত বেশি টেস্ট দেবেন এবং ভাল নম্বর নিয়ে পাশ করবেন, তাঁর ‘বাজারদর’ তত বেশি। ক্লায়েন্ট-রা এই রেটিং-এর উপর ভিত্তি করেই রাইটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, টাকা-পয়সা নিয়ে দর কষাকষি করেন। বাংলা কনটেন্ট রাইটিং-এর উপর কী কী ধরনের কাজ আছে, সেটা ওয়েবসাইটের নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন-এ খুঁজতে হবে। ক্লায়েন্টরা কাজগুলি সম্পর্কে দু’চার কথা লিখে প্রোজেক্ট হিসেবে সেগুলি পোস্ট করেন। পাশে লেখা থাকে টাকার অঙ্ক—প্রতি ঘণ্টা কাজের হিসেবে
অথবা সম্পূর্ণ প্রোজেক্ট ধরে। তাছাড়া রয়েছে কুইকার, ইনডিড, নোকরি ডট কম ইত্যাদি জব সাইট্স, যেখানে
ফুল-টাইম, পার্ট টাইম দু’ধরনের কাজেরই খবরাখবর থাকে। বিডিং-নেটওয়র্কিং-কলিং কনটেন্ট রাইটিং-এর
কাজ পাওয়া যায় তিনভাবে—
১. ওয়েবসাইটগুলিতে গিয়ে নেটওয়ার্কিং করুন। ইলান্স-
ওডেস্ক এবং ফ্রিলান্সার ছাড়াও বর্তমান সময়ে খুব
জরুরি লিঙ্কডইন প্রোফাইল।ওয়েব থেকে যাঁরা নিয়োগ
করেন তাঁদের অনেকেই এই সাইটে বিভিন্ন প্রোফাইল
ঘেঁটে বেছে নেন লেখক-লেখিকাদের। নিজের কাজের
অভিজ্ঞতার কথা ফলাও করে লেখা ছাড়াও রাখতে
পারেন কিছু লেখার নমুনাও—কোনও ব্লগ বা প্রিন্ট
মিডিয়ায় প্রকাশিত কোনও লেখার স্ক্যানড্ ইমেজ।
এছাড়া আজকাল অনেকেই ফেসবুকে একটি পেজ খুলে
নিয়ে ব্যক্তিগত প্রোফাইলের মাধ্যমে প্রোমোট করেন।
২. ওয়েব কনটেন্ট রাইটিং-এ উপার্জনের পরিমাণের
কোনও সীমা নেই। আর উপার্জন বাড়ানোর সবচেয়ে ভাল
উপায় হলো ‘বিডিং’। নতুন যাঁরা লিখতে আসছেন, তাঁরা
প্রথমেই এই খেলায় নামতে যাবেন না। অন্তত এক
বছরইলান্স-ওডেস্ক এবং ফ্রিলান্সার-এর বিডিংগুলি
ভাল করে লক্ষ করুন। বিডিং হয় এইভাবে– একজন
ক্লায়েন্ট একটি ‘প্রোজেক্ট’ পোস্ট করে ‘বিডিং’-এর
জন্য একটি সময়সীমা দিয়ে দেন। কাজটি কী ধরনের, তার
একটা বর্ণনা দেওয়া থাকে। এর ভিত্তিতে আপনাকে
করতে হবে ‘বিড’– অর্থাৎ কাজটি আপনি করলে কতদিনে
করবেন এবং ‘কত টাকা’-র বিনিময়ে সেটি এই
প্রোজেক্ট-এর থ্রেড-এ লিখতে হবে। ক্লায়েন্ট ‘বিড’-
গুলি পড়ে তার মধ্যে থেকে বেছে নেবে। এখানে
ক্লায়েন্ট দেখবে মূলত চারটি জিনিস— আপনার আগের
কাজের অভিজ্ঞতা,স্কিল টেস্ট-এর ফলাফল, আপনি
ক্লায়েন্ট-এর দেওয়া ডেডলাইনের মধ্যে প্রোজেক্ট
জমা দিতে পারবেন কি না এবং কত কম টাকায় কাজটি
করবেন।
৩. বিড-এ না গিয়ে লিঙ্কডইন, ইলান্স অথবা ফ্রিলান্সার
থেকে ক্লায়েন্ট-এর সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে সরাসরি
ফোন করে কথা বলতে পারেন। মনেরাখবেন, মেইল করে
খুব একটা লাভ হয় না। ফোন-এ প্রাথমিক কথা বলে পরে
স্কাইপি-তে যোগাযোগ করলে ভাল। বিদেশি
ক্লায়েন্টরা সাধারণত স্কাইপি-তেই কথা বলতে চান।
‘পে-প্যাল’ এবং পেমেন্ট ওয়েব-এ বেশিরভাগ কাজই
আসে বিদেশ থেকে। সবচেয়ে বেশি আদানপ্রদান হয়
ডলার-এ। এক্ষেত্রে লেনদেনের জন্য নির্ধারিত
একাউন্টের ব্যপারটা যাচাই করে নিতে হবে। ওয়েব
কনটেন্ট রাইটিং নিয়ে একটি বদনাম আছে।
অনেকে কাজ করিয়ে টাকা দেয় না। এমনটা সত্যিই ঘটে।
তাই খুব জরুরি হলো, কাজ হাতে নেওয়ার আগে
ক্লায়েন্ট সম্পর্কে ভাল করে জানা। ক্লায়েন্ট-এর
ওয়েবসাইটে গিয়ে ভাল করে স্টাডি করতে হবে।
তাছাড়া ইলান্স বা ফ্রিলান্সার-এ ক্লায়েন্টরিভিউগুলি
পড়তে হবে। এখানে কাজ করিয়ে-রা যেমন লেখকদের
কাজের মূল্যায়ন করেন, তেমনই লেখকরাও মূল্যায়ন করেন
ক্লায়েন্টদের। যেমনই ক্লা়য়েন্ট হোক না কেন, অর্ধেক
টাকা হাতে নিয়ে তবে প্রোজেক্ট-এ হাত দেবেন। বাকি
টাকার পেমেন্ট হবে ফাইনাল প্রোজেক্ট সাবমিশন-এর
পর।
Read more ...

বিজ্ঞাপন দিন প্রযুক্তি কর্নার-এ। সহজ শর্তে!




সুখবর সুখবর সুখবর! আপনাদের জন্য প্রযুক্তি কর্নার নিয়ে এলো Advertising প্যাকেজ। এই প্যাকেজ এর আওতায় যে কেউ তার কোম্পানি, ওয়েবসাইট, বা যে কোন প্রকার অ্যাড দেখাতে পারেন।
প্যাকেজ এর শর্তাবলীঃ
১। অ্যাড ব্যানার আকারে প্রকাশ করা যাবে।
ব্যানার সাইজ ও মুল্য:

#Size 468*60--  Price Tk. 3500 (চিত্রে প্রদর্শিত 1 নং অ্যাড স্পেস)
#Size 728*90--  Price Tk. 4000 (চিত্রে প্রদর্শিত 2 নং অ্যাড স্পেস)
#Size 300*250-- Price Tk. 2300 (চিত্রে প্রদর্শিত 3 নং অ্যাড স্পেস)
#Size 300*600-- Price Tk. 2300 (চিত্রে প্রদর্শিত 4 নং অ্যাড স্পেস)
#Size 970*90--  Price Tk. 2900 (চিত্রে প্রদর্শিত 5 নং অ্যাড স্পেস)

২। ব্যানার ছয়(০৬) মাস যাবত এই সাইটে স্থায়ী হবে। (সেক্ষেত্রে ব্যানার একটিই হবে এবং পরবর্তীতে চেঞ্জ করা যাবে না) অর্থাৎছয় ( 0৬) মাস যাবত অ্যাড দেয়ার দিন হতে ব্যানারটি অপরিবর্তিত থাকবে।
৩। অ্যাড এর সহায়ক হিসেবে একটি অপরিবর্তিত পোস্ট ০৬ মাসের প্রতি মাসে প্রকাশ করা যাবে। (বিজ্ঞাপনদাতাকে পোস্ট লিখে ইমেইলে পাঠাতে হবে)
৪। ব্যানার এবং পোস্ট এ প্রয়োজনীয় ডিরেক্ট লিঙ্ক দেয়া যাবে।
অ্যাড প্রকাশ করার প্রধান শর্তঃ
১। রাজনীতি, ধর্ম বা কোন প্রকার উস্কানিমূলক বিজ্ঞাপন দেয়া যাবে না।
২। বিকাশে মূল প্যাকেজের ৫০% ব্যানারের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রকাশের দিন পেমেন্ট করতে হবে।
৩। পেমেন্টের জন্য বিকাশ নাম্বার ইমেইলে দেয়া হবে।
৩। ইমেইল- projuktiadd@gmail.com

*প্যাকেজ মুল্য বিবেচ্য
*পরিবর্তন ও পরিমার্জনের সকল ক্ষমতা প্রযুক্তি কর্নার এর অধিকার।

Read more ...

ক্রিকেটে প্রযুক্তির অবদান, ক্রিকেটে ব্যবহৃত প্রযুক্তি সম্পর্কে খুঁটিনাটি আলোচনা



ক্রিকেটে প্রযুক্তির ব্যবহার দিনে দিনে যেভাবে বাড়ছে, তাতে এটি কেবল খেলোয়াড়দের খেলা নয়, প্রযুক্তিরও খেলা বটে! ক্রিকেটের জনপ্রিয় কিছু প্রযুক্তি নিয়ে এই প্রতিবেদন।ভিডিও বোলিং সিমুলেশন
খেয়াল করবেন, কদিন আগে ‘ভিডিও বোলিং সিমুলেশন’ নামে এক বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে ব্রিসবেনে বাংলাদেশ দলের নেট অনুশীলনে। ব্রিসবেনের অ্যালান বোর্ডার স্টেডিয়ামের পাশের মাঠে মাশরাফিদের সামনে সেদিন হাজির হয়েছেন মিচেল জনসন-জশ হ্যাজলউডের মতো গতিময় পেসাররা। তবে সেটা বাস্তবে নয়, পর্দায়!

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে আরও জানতে ভিজিট করুন প্রযুক্তি কর্নার

এই পদ্ধতিতে নেটের ব্যাটসম্যানের অপর প্রান্তে থাকে একটা বড় পর্দা। তাতে ভেসে ওঠে বল হাতে কোনো বোলারের ছবি, সেই বোলার দৌড়ে আসতে থাকেন ব্যাটসম্যানের দিকে, বল ছোড়েনও একটা পর্যায়ে। কিন্তু ব্যাটসম্যানের দিকে সত্যিকারের যে বলটা ধেয়ে যায়, সেটা আসলে আসে পর্দার পেছনে থাকা একটা বল করার যন্ত্র (বোলিং মেশিন) থেকে।
এ প্রযুক্তি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কাছে নতুন হলেও ক্রিকেটে উন্নত দেশের জন্য বেশ পুরোনো। ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো আইসিসি এ প্রযুক্তিটি হস্তান্তর করে মার্কিন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান-প্রোব্যাটার স্পোর্টস। একই বছরে দুবাইয়ে আইসিসি গ্লোবাল ক্রিকেট একাডেমিতে সরবরাহ করা হয় প্রোব্যাটার পিএক্স২ ক্রিকেট সিস্টেম।
স্পিড গান
বোলাররা বল করার পরই টিভি পর্দায় ভেসে ওঠে বলের গতি। বোলার ঘণ্টায় কত মাইল বা কিলোমিটার বেগে বল করলেন, সেটির ওপর বিশেষ নজর থাকে সবার। বলের এ গতি মাপা হয় ‘স্পিড গান’ প্রযুক্তির মাধ্যমে। পদ্ধতিটি ক্রিকেটে নিয়মিত ব্যবহার হচ্ছে ১৯৯৯ সাল থেকে।
যন্ত্রটি বসানো হয় সাইট স্ক্রিনের বেশ ওপরে। এটি গতি মাপে রাডার-বিমের সংকেতের সাহায্যে। বল পিচ করার পর পুরো লেংথ শনাক্ত করে এটি। আর পুরো পদ্ধতিটি সম্পন্ন হয় ক্ষুদ্রতরঙ্গ প্রযুক্তির মাধ্যমে। তবে বাতাসের গতি এখানে কোনো ভূমিকা রাখে না। ক্ষুদ্রতরঙ্গগুলো এতটাই শক্তিশালী, যেকোনো আবহাওয়ায় তা ভেদ করতে পারে। কেবল ক্রিকেটে নয়, এ প্রযুক্তি ব্যবহার হয় টেনিসেও।
স্পাইডার ক্যামেরা
২০১৪ সালের এপ্রিলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দর্শকেরা নিশ্চয় দেখেছেন, মাঠে উড়ে উড়ে খেলোয়াড়দের নানা মুহূর্ত ধারণ করছে একটি ক্যামেরা। খেলা চলার সময় খেলোয়াড়দের একদম হাতছোঁয়া দূরত্বে চলে যাচ্ছে সেটি!
স্পাইডারক্যাম প্রথম তৈরি হয় ২০০০ সালে, আর এর নেপথ্যের কারিগর অস্ট্রিয়ার প্রযুক্তিবিদ জেনস সি পিটার্স। এর সফল ব্যবহার হয় ২০০৩ সালে। এরপর ক্রমেই খেলাধুলায় বাড়তে থাকে এ প্রযুক্তির ব্যবহার। সাধারণ ক্যামেরার সঙ্গে এর মূল পার্থক্য—নির্ধারিত এলাকায় উল্লম্ব ও অনুভূমিকভাবে ইচ্ছেমতো নড়াচড়া করতে পারে ক্যামেরাটি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটে এর ব্যবহারে কিছু সমস্যাও দেখা দিয়েছে। কদিন আগে, ভারতের বিপক্ষে সিডনি টেস্টে একটি ক্যাচ হাতছাড়া করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। পরে জানা যায়, স্পাইডার ক্যামেরায় লাগায় বলটি তালুবন্দী করতে ব্যর্থ হন স্মিথ!

বড় পর্দা
বড় পর্দা অন্য খেলাগুলোতে নিয়মিত ব্যবহৃত হলেও ক্রিকেটে এর তাৎপর্য ভিন্ন। ক্রিকেটে এর দুই রকম ব্যবহার। একদিকে ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ড হিসেবে। অন্যদিকে ঢাউস এলইডি পর্দায় ভেসে ওঠে ঝকঝকে ভিডিও, অ্যানিমেটেড ছবি, গ্রাফিকস ইত্যাদি।
এ ছাড়া ব্যাটসম্যানের শট খেলা ও আউট হওয়ার ধরন, বোলারের ডেলিভারি প্রভৃতির বিশ্লেষণ মুহূর্তেই মেলে পর্দায়। একজন বোলার বা ব্যাটসম্যানের দুর্বলতাগুলোও বাদ যায় না। দিনে দিনে আরও নানা বিষয় সংযোজিত হচ্ছে পর্দায়। খেলোয়াড় তো বটেই, দর্শকেরও দৃষ্টি থাকে বড় পর্দায়। এরই মধ্যে বিশ্বকাপ ফাইনালের ভেন্যু মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) বসানো হয়েছে নতুন প্রযুক্তির বড় পর্দা। ২৫ মিটার প্রস্থ ও ১৩ মিটার উচ্চতার এলইডি পর্দায় দর্শকেরা খেলার খুঁটিনাটি দেখতে পাবেন অনায়সে।

ডিআরএস—প্রযুক্তি যখন বিচারক
আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের বলি হওয়া ক্রিকেটে খুব পরিচিত দৃশ্য। খেলোয়াড়েরা এখন সহজেই আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন। চ্যালেঞ্জটা হয় ডিআরএস (ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম) পদ্ধতিতেই। যদিও এটি নিয়ে কম-বেশি বিতর্ক রয়েছে ক্রিকেট দুনিয়ায়। তবে পদ্ধতিটি সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ায় এর পক্ষে সমর্থন বেশি। ডিআরএসে ব্যবহৃত হয় তিনটি পদ্ধতি-হক-আই, হটস্পট ও স্নিকোমিটার।

হক-আই
বোলিং ডেলিভারিকে পাখির চোখে বিশ্লেষণ করা হয় এ পদ্ধতিতে। যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানী পল হকিন্সের আবিষ্কার করা এ পদ্ধতি প্রথম ব্যবহার করে চ্যানেল ফোর। আবিষ্কর্তার নামানুসারে ‘হক-আই’। প্রথম ব্যবহার ২০০১ সালের অ্যাসেজে।
বল পিচ করে স্টাম্পে নাকি বাইরে বা ওপর দিয়ে চলে যেত—এর পরিষ্কার বিশ্লেষণ মিলবে এ প্রযুক্তিতে। সাধারণত সংশয়মূলক এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত নিতে এ পদ্ধতির ব্যবহার। টেনিস তো বটেই, বর্তমানে ফুটবলের গোললাইন প্রযুক্তিতেও এর ব্যবহার রয়েছে।

স্নিকো-মিটার
স্নিকো-মিটারের কাজ শব্দ শনাক্ত করা। উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন মাইক্রোফোনের মাধ্যমে শনাক্ত হয় এ শব্দ। বল প্যাডে লাগল নাকি ব্যাটে, তা নির্ধারণ করা হয় শব্দের মাধ্যমে। এটি আবিষ্কার করেন ইংলিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান প্লাসকেট।

হটস্পট
অনেক সময় বল ব্যাটে লাগল নাকি প্যাড বা গ্লাভসে, তা নিয়ে ঢের বিতর্ক! এ বিতর্ক নিরসনে ব্যবহার করা হয় হটস্পট প্রযুক্তি। এটি মূলত ইনফ্রা-রেড রশ্মি দিয়ে ছবি তোলার ব্যবস্থা। দুটি শক্তিশালী থার্মাল-ইমেজিং ক্যামেরা থাকে মাঠের দুই প্রান্তে। বলের সঙ্গে যে কোনো বস্তুর (ব্যাট, প্যাড, গ্লাভস বা খেলোয়াড়ের শরীর) ঘর্ষণের মুহূর্তে উৎপন্ন তাপ দূর থেকে দ্রুত পরিমাপ করতে পারে ক্যামেরা দুটি। এরপর বস্তুটির যে অংশে বলের ঘর্ষণ লাগে, কম্পিউটারে উৎপন্ন নেগেটিভ ছবিতে স্থানটি লাল দাগে চিহ্নিত হয়। তবে আইসিসি জানিয়েছে, এ বিশ্বকাপে হটস্পট প্রযুক্তির ব্যবহার থাকবে না।
Read more ...

মানুষের মস্তিষ্কে বহিরাগত স্মৃতি প্রবেশ করানোর কৌশল উদ্ভাবিত



জাপানের গবেষকরা এমন একটি কৌশল উদ্ভাবন করেছে যার সাহায্যে এখন মানুষের মস্তিষ্কে মিথ্যা তথ্য বা ভুল স্মৃতি প্রবেশ করানো সম্ভব হবে। এটি এমনকি ব্যক্তির চিন্তাধারা ও অভিজ্ঞতা অর্জনের ধারাকে পালটে ফেলতে পারবে। ‘কারেন্ট বায়োলজি’ জার্নালে প্রকাশিত একটি নিবন্ধ এমন বাস্তবতার কথাই জানান দিচ্ছে। এই নিবন্ধে গবেষকদল বিবরণ দিয়েছেন কীভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ব্যক্তি বুঝতেই পারবে না কোনটি তার নতুন স্মৃতি আর কোনটি তার অভিজ্ঞতালব্ধ পুরাতন স্মৃতি। কীভাবে ব্যক্তির অনুভূতিকে জানতে না দিয়েই এমনটা করা সম্ভব, তার বিবরণ দেয়া হয়েছে ঐ নিবন্ধে।

মস্তিষ্কে নতুন করে বহিরাগত স্মৃতি, ঘটনা ও অভিজ্ঞতা প্রবেশ করাতে পারলে সেটি হবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য বড় এক মাইলফলক। এর মাধ্যমে খুলে যেতে পারে চিকিৎসার অনন্য এক পথ। যেমন অলঝেইমার নামক মারাত্মক মানসিক রোগের জন্য চমৎকার এক ট্রিটমেন্ট হতে পারে এই পদ্ধতি। তাছাড়াও কগনেটিভ ডিজঅর্ডার, ডিপ্রেশন ও অটিজমের চিকিৎসায় এটি হতে পারে চমৎকার এক উপায়। এমন সম্ভাবনার কথাই জানিয়েছেন এই গবেষণার প্রধান ‘তাকিও ওয়াতানাবে’। শুধু তাই নয়, রোগী ও পরিস্থিতি যদি অনুকূলে থাকে তাহলে মস্তিষ্ক থেকে কিছু স্মৃতি বা অভিজ্ঞতা মুছেও ফেলা যাবে। যেমন কারো জীবনে ঘটে যাওয়া মারাত্মক কোনো ঘটনা তার পরবর্তী জীবনকে বরবাদ করে দিতে পারে। এমন ক্রান্তি অবস্থানে চলে এলে মস্তিষ্ক থেকে এই স্মৃতি মুছে ফেলা সম্ভব। নাজুক ও নেতিবাচক স্মৃতি কমে গেলে সেটি মানসিক ডিজঅর্ডার থেকে মানুষকে ফিরিয়ে আনতে পারে।

এই পরীক্ষার একদম শুরুর দিকে গবেষকরা ব্যক্তির মস্তিষ্কে দৃশ্যগত সামান্য বিকৃতি এনে দেন। মস্তিষ্কের যে অঞ্চলে রঙ সংক্রান্ত অনুভূতি নিয়ে কার্যক্রম চলে সে অঞ্চলে এমন কিছু করা হয় যার মাধ্যমে ব্যক্তি কালো জিনিসকে লাল হিসেবে দেখার জন্য নির্দেশিত হয়। পরে তাদেরকে কিছু রঙ সনাক্ত করতে বলা হয়। সনাক্তকরণের সময়ে তাদের মস্তিষ্কের সকল কার্যক্রম fMRI মেশিন দিয়ে স্ক্যান করা হয়। এবং এই স্ক্যানে ইতিবাচক সারা পাওয়া যায়। স্ক্যানে দেখা যায় মস্তিষ্কের যে অঞ্চল লাল রঙের জন্য সাড়া দেয় সেই অঞ্চল উদ্দীপিত হচ্ছে।

অনেকটা সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র ‘ম্যাট্রিক্স’-এর কল্পনার মতো শোনাচ্ছে। বাস্তব জগতে কী হবে না হবে, কী দেখা যাবে না যাবে, কী অনুভূত হব না হবে তার সবই নির্ভর করে মস্তিষ্কের একগুচ্ছ বিক্রিয়ার উপর। চলচ্চিত্রে যেমন দেখানো হয় গাড়ি চালাতে না পারলে মস্তিষ্কে গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা ইন্সটল করা হয় অনেকটা এমন সম্ভাবনার ইঙ্গিতই যেন দিচ্ছে। ভাবা যায় এই পদ্ধতি কতটা বিপ্লব নিয়ে আসতে পারে?

মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত করার কয়েকদিন পরে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদেরকে অনেকগুলো রঙের নড়াচড়া দেখতে দেয়া হয় এবং রঙগুলো সনাক্ত করতে বলা হয়। এখানেও দেখা যায় তারা কালো রঙকে লাল হিসেবে দেখছে। অর্থাৎ এই প্রক্রিয়া মস্তিষ্কে কিছু সময়ের জন্য স্থায়ী হয়েছে। গবেষকরা দেখতে পান প্রবেশ করানো এই স্মৃতি বা অভিজ্ঞতা ৫ মাস পর্যন্ত স্থায়ী থাকতে পারে।

তবে এই পদ্ধতির অনেক নেতিবাচক সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে। ভুলভাবে ব্যবহার করলে এটি দিয়ে মানবজাতির জন্য অনেক ক্ষতিকর কিছু বয়ে নিয়ে আসতে পারে। তবে আমরা আশা করতে পারি এই প্রযুক্তি শুধুমাত্র মানুষের উপকারের জন্যই চিকিৎসাবিজ্ঞান সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে।
Read more ...

খাবার প্লেটে শীঘ্রই শোভা পাবে কৃত্রিমভাবে তৈরি মুরগির মাংস



মানুষকে বলা যায় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় খুনি প্রজাতি। মানুষ যে পরিমাণ গরু জবাই করে সে পরিমাণ গরু মনে হয় না প্রাণিজগতের বাকি সবাই মিলে মারতে পারে। গরুর পাশাপাশি মানুষ মুরগিও খায় প্রচুর। খাদ্য হিসেবে মুরগির ব্যবহার পরিমাণের দিক থেকে এতই বেশি যে তার তুলনায় গরুর পরিমাণ কিছুই নয়। মুরগির উপর এমন বেশি নির্ভরশীল হয়ে যাওয়া একটি প্রজাতির জন্য নেতিবাচক। কোনো প্রজাতিতে বৈচিত্র্য যত কম তার বিলুপ্তির হুমকিও ততো বেশি। তার উপর ইদানীং প্রাণী মেরে খাদ্য না খাওয়ার ব্যাপারে একধরনের জনসমর্থন গড়ে উঠছে। ভবিষ্যতে খাদ্য হিসেবে প্রাণী বা মুরগি না মারাটা হয়ে যেতে পারে নৈতিকতার অংশ- যে যত কম প্রাণী হত্যা করে থাকতে পারবে সে তত বেশি নীতিবান। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের খুব সহজলভ্য খাবার মুরগি না থাকলে কী গোলমেলে অবস্থা হবে তা ভাবা যায়?

তবে যেখানে বিজ্ঞান আছে সেখানে এত বেশি ঘাবড়ানোর কিছু নেই। ইজরায়েলের বিজ্ঞানীরা এমন একটি প্রযুক্তির পরীক্ষা নিরীক্ষা করছেন যা বাস্তবায়িত হলে মানুষ খাবার জন্য মাংস পাবে কিন্তু তার জন্য কোনো মুরগিকে মারতে হবে না। কৃত্রিমভাবে মুরগির মাংস উৎপাদন করার জন্য বিশ্বের অন্যতম ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ নিয়েছে Modern Agriculture Foundation (MAF) নামে একটি প্রতিষ্ঠান।

MAF এর প্রতিষ্ঠাতা শার ফ্রিডমান বলেন- “আমাদের একটি গ্রুপ অনুধাবন করতে পারে যে, জরুরীভাবে বিশ্বের মানুষদের এখন এমন কিছু দরকার যা তাদের প্রয়োজন পূরণ করতে পারবে এবং এর ফলে প্রাণিজগৎ ও পরিবেশের কোনো ক্ষতি হবে না।”

তিনি আরো বলেন “আমরা যখন কালচারের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে মুরগির মাংস তৈরির বাস্তবতা সম্বন্ধে জেনেছিলাম তখনই অনুধাবন করতে পেরেছিলাম এটিই পালটে দিতে পারে পৃথিবীকে। এটিই দূর করতে পারে গণহারে প্রাণী নিধন এবং এটিই মানুষকে খাদ্য প্রদানের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে।”

এর পর থেকে তার টিম কাজে লেগে পড়ে। কাজের উন্নয়নের জন্য এই টিম তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়েরগবেষকদের সাথে যোগ দেয়। তাদের সাথে একত্র হয়ে এমন একটি পদ্ধতির উন্নয়ন করেন যেখানে একটি মাত্র কোষ থেকে অনেকগুলো কোষ তৈরির মাধ্যমে কৃত্রিম মুরগি তৈরি করা যায়।

কৃত্রিম মাংস তৈরির জন্য তারা প্রথমে একটি পুষ্টিকর মাধ্যমে (medium) নিয়ন্ত্রিত উপায়ে স্টেম কোষ চাষ করেন। তাদের এই পদ্ধতি যদি ঠিকঠাক মতো কাজ করে তাহলে এই মাংসের স্বাদ আর সত্যিকার মাংসের স্বাদ একই হবে। কারণ মাংস কৃত্রিম হলেও এতে প্রাকৃতিক জিনিসই ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এর বৈশিষ্ট্যও মাংসের মতোই।

এর জন্য তাদের খুব বেশি প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত জটিলতায় যেতে হয়নি। ভিন্নভাবে সাধারণ কিছু জৈব বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করেই এই ফলাফলে উপনীত হয়েছেন। তাদের দাবী অনুসারে তারা শুধু কোষগুলোকে মাংস হবার পথ ধরিয়ে দিয়েছেন। জৈব কোষ ভালো করেই জানে কীভাবে অনেকগুলো কোষ মিলে মুরগি বা অন্য কিছুর অঙ্গের মতো গঠন ধারণ করতে হয়। এখানে জৈব কোষ নিজে নিজেই জৈবিক আকার পায়। অর্থাৎ ধরিয়ে দেয়া পথে সহজেই মুরগির রান বা অন্য কোনো অঙ্গের মতো আকার ধারণ করে।

সাধারণ মানুষের কথা ভেবে তৈরি করা হলেও এই কৃত্রিম মাংস এখনো গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আমরা হয়তো শীঘ্রই নিজেদের খাবার প্লেটে এমন কৃত্রিম মাংস দেখতে পাবো।
Read more ...

জ্বালানী সাশ্রয়ী ও দ্রুত আকাশ পথ পাড়ি দিতে আসছে প্লাজমা জেট ইঞ্জিন



কল্পনা করুন এমন এক জেট ইঞ্জিনের কথা যা একটি মহাকাশযানকে প্রচলিত ইঞ্জিনের চেয়ে বেশী দ্রুত পরিচালিত করছে এবং তার ফলে আপনাকে খুব দ্রুতই পৃথিবীর আবহাওয়ার বাইরে নিয়ে গেলো। আর এসব কিছুই ঘটছে কোনরূপ জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়াই এবং অতি অল্প খরচে।

ঠিক এ কাজটিই করবে একটি প্লাজমা জেট ইঞ্জিন। যদিও এই ইঞ্জিনটির গবেষণা এখনো গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ রয়েছে এবং এর প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে স্যাটালাইট ও অন্যান্য মহাকাশযান পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করার।

আর এখন টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব বার্লিনের গবেষকগণ চেষ্টা করছেন এই ইঞ্জিনকে গবেষণাগারের বাইরে নিয়ে আসার। প্রচলিত জেট ইঞ্জিনগুলি থ্রাস্ট বা ধাক্কা তৈরীর জন্য জ্বালানীর সাথে বাতাস সঙ্কুচনের একটি মিশ্রণ ব্যবহার করে থাকে। এই মিশ্রণ পোড়ানোর মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধির করার মাধ্যমে একটি ইঞ্জিনের পেছন দিকে যায় এবং যানটিকে সামনের অগ্রসর হতে সাহায্য করে। প্লাজমা জেট ইঞ্জিন তড়িৎচুম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরীর জন্য জ্বালানীর পরিবর্তে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে থাকে।

টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব বার্লিনে বারকান্ট গোকেলে এবং তাঁর দল এই প্লাজমা জেট ইঞ্জিনকে একটি বিমানে স্থাপন করতে যাচ্ছেন। তাঁরা বলেন, “আমারা এমন এক পদ্ধতি গড়ে তুলতে চাই, যা ৩০ কিলোমিটার উপরেও চলতে পারবে যেখানে প্রচলিত জেট ইঞ্জিন যেতে পারে না।” আর এটি যাত্রীদের বায়ুমন্ডলের শেষভাগে কিংবা এর বাইরেও নিয়ে যেতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের বিষয়টি হচ্ছে, এমন একটি বায়ু-শোষক প্লাজমা পরিচালিত ইঞ্জিন গড়ে তোলা যা এই বিশাল উচ্চতায় উড়ার জন্য উড্ডয়ন করতে পারবে।

প্লাজমা জেট ইঞ্জিনকে একটি ভ্যাকুয়াম অথবা কম চাপের বায়ুমন্ডলে কাজ করার মতো করে নকশা করা হয়েছে, যেখানে তাদের একটি গ্যাস সরবরাহক বহন করতে হবে। কিন্তু এই মুহূর্তে গোকেলের দল এমন একটি ইঞ্জিনের পরীক্ষা চালিয়েছে যা একটি বায়ুমন্ডলের চাপে বায়ুতেই কাজ করতে পারে। “আমরাই সর্বপ্রথম সর্বনিম্ন পর্যায়ের দ্রুতগতির ও শক্তিশালী প্লাজমা জেট উৎপাদন করতে পেরেছি। এই জেট ইঞ্জিনটি সেকেন্ডে ২ কিলোমিটারের বেশী গতিতে পৌঁছুতে পারে।” দলটি ইঞ্জিন চালু করার জন্য ন্যানোসেকেন্ডের ইলেকট্রিক ডিসচার্জের দ্রুতগতির প্রবাহ ব্যবহার করেছেন যা একে জ্বালানী-চালিত ইঞ্জিনের চেয়ে বেশী দক্ষ করে তুলেছে। আর প্লাজমা থ্রাস্ট বিস্ফোরন প্রয়োগের এটাই প্রথম কোন ঘটনা।

কিন্তু এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোন বিমানকে পরিচালিত করতে হলে কিছু বাধা অতিক্রম করতে হবে। উড্ডয়ন শুরুর জন্য দলটি ৮০ মিলিমিটারের ক্ষুদ্র থ্রাস্ট ব্যবহার করেছেন, যেখানে একটি বাণিজ্যিক বিমান উড়তে এরকম প্রায় ১০,০০০ থ্রাস্টের প্রয়োজন পড়ে। এই সমস্যা বর্তমান নকশাকে অনেকটা জটিল করে তুলেছে। আপাতত সমস্যা এড়িয়ে যেতে গোকেলের দল ছোট আকারের বিমান বেছে নিয়েছেন যাদের থ্রাস্ট ১০০ থেকে ১০০০ এর মধ্যে থাকবে। আর তাঁদের ধারণা এটা নির্মান করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব হবে।

তবে সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হচ্ছে হালকা ওজনের ব্যাটারির অভাব। প্লাজমা তৈরী ও বজায় রাখতে হলে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন। গোকেলে আশা করছেন, তাঁর পদ্ধতিকে পরিচালিত করতে কমপ্যাক্ট ফিউশন রিএকটরের ব্যবহার করবেন। অন্যান্য সম্ভাব্য বিকল্পগুলির মাঝে রয়েছে সৌর প্যানেল কিংবা ইঞ্জিনগুলিকে বিনা তারে শক্তি প্রেরণ করার ব্যবস্থা করা।

এরই মধ্যে তিনি হাইব্রিড বিমানের দিকে নজর দিচ্ছেন, যেখানে প্লাজমা ইঞ্জিনকে কম্পন বিস্ফোরক জ্বালানী ইঞ্জিন কিংবা রকেটের সাথে সংযুক্ত করে জ্বালানী সাশ্রয় করা যাবে।
Read more ...

পৃথিবীর অর্থনীতির পতন ঘটাতে পারে এমন ধাতব গ্রহাণু অনুসন্ধানে নাসা



সাইকি-১৬ গ্রহাণু আমাদের সৌর জগতের অন্যতম একটি বিস্ময়কর বস্তু যা পৃথিবী থেকে প্রায় ২৩ কোটি মাইল দূরে অবস্থান করছে। কিন্তু দূরবর্তী এই গ্রহাণুটিই আমাদের জন্য সৌভাগ্যের কারণ হতে পারে।
সম্প্রতি মহাকাশ সংস্থা নাসা এই গ্রহাণুর উদ্দেশ্যে একটি অভিযান পরিচালনার ঘোষণা করেছেন। পূর্বের পরিকল্পনার চেয়ে এক বছর আগেই এই অভিযান শুরু হবে। মূলত ২০২৩ সালে হওয়ার কথা থাকলেও এখন তা ২০২২ সালে করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যা ২০২৬ সালে গ্রহাণুর কাছে পৌছুবে।
গ্রিক পৌরাণিক কাহিনীর একটি মানব চরিত্র সাইকির নামানুসারে এর নামকরন করা হয়, যে কিনা অমরত্ব লাভ করেছিলো। সাইকি ১৬ গ্রহাণু অঞ্চলে আবিষ্কৃত এযাবতকালের সবচেয়ে বড় গ্রহাণু যা প্রচুর ধুলোচ্ছান্ন অবস্থায় রয়েছে। এটি বৃহস্পতি এবং মঙ্গল গ্রহের মাঝামাঝি বৃহত্তম গ্রহাণু অঞ্চলে অবস্থিত এবং সৌর জগৎ সৃষ্টির সময় আংশিকভাবে ধ্বংস হওয়ার আগে হয়তো একটি গ্রহ অবস্থাতেই ছিলো।
১৩০ মাইল প্রশস্ত এই ধাতব টুকরোটি লোহা, নিকেল এবং আরও কয়েকটি বিরল ধাতু দিয়ে তৈরী। যার মাঝে সোনা, প্লাটিনাম এবং তামা অন্যতম। যদি গ্রহাণুটিকে পৃথিবীতে ফেরত আনা হয় তবে শুধুমাত্র এর লোহার মূল্যই হবে প্রায় দশ হজার কোয়াড্রিলিয়ন ডলার। আর সেইসাথে সাইকি-১৬ পৃথিবীবাসীকে শীলা বা বরফের পরিবর্তে লোহার তৈরী কোন বিশ্ব আবিষ্কারের সুযোগ সৃষ্টি করে দেবে।
অপরদিকে গ্রহাণুটির এই মূল্য পৃথিবীর পণ্যমূল্য কমাতে এবং বিশ্বের অর্থনীতিতে ৭৩.৭ ট্রিলিয়ন ডলার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
পৃথিবীতে গ্রহাণু পদার্থের বাজার অনুমান করলে দেখা যায়, এটি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মূল্য হ্রাস করতে পারে এবং এর ফলে সরকারী সম্পদসহ অন্যান্য সম্পত্তির মূল্য সম্পূর্ণরূপে অবমূল্যায়ীত হবে। সাথে সাথে যে সকল কোম্পানী এসব উত্তোলন, বাজারজাতকরণ এবং এর বাণিজ্যের সাথে যুক্ত তারাও ক্ষতির সম্মুখীন হবে। আর সামগ্রিকভাবেই এটি অর্থনীতিকে পতনের দিকে ধাবিত করবে।
অভিযান পরিচালনাকারী দলটি দেখবেন সাইকি কি কোন পূর্ববর্তী গ্রহের কেন্দ্র ছিলো কিনা, এর বয়সই বা কত কিংবা এটা কি পৃথিবীর কেন্দ্রের মতোই গঠিত হয়েছে কিনা অথবা এর পৃষ্ঠতল দেখতে কেমন।
নাসা সদর দপ্তরের পরিচালক জিম গ্রিন বলেন, “আমরা গ্রহাণু সাইকির আবর্ত পথকে আরও কার্যকর করার জন্য এই অভিযান এগিয়ে নেয়ার নকশাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। আর এটাই আমাদের বিজ্ঞানের উদ্দেশ্যকে দ্রুত পূরণ এবং ব্যায় কমাতে সক্ষম করে তুলবে।”
মহাকাশযানটির যন্ত্রপাতির মধ্যে একটি ম্যাগনেটোমিটারের সাথে মাল্টিস্পেকট্রাল ইমেজার এবং একটি গামা রশ্মি ও নিউটন স্পেকট্রমিটার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
নাসার প্রধান অভিযান বিজ্ঞানী এবং এরিজোনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক লিন্ডি এলকিন্স বলেন, “এজাতিয় সৌর জগতের একমাত্র পরিচিত গ্রহাণু হচ্ছে সাইকি-১৬ আর শুধুমাত্র এই পদ্ধতির অভিযানের মাধ্যমেই মানুষ একটি কোর বা কেন্দ্র পরিদর্শন করতে পারবে। আমরা বহিঃমহাকাশ পরিদর্শন করে ভেতরের আমরা পৃথবীর বায়ুমন্ডলের বাইরে গিয়ে পৃথবী ভেতরের অনেক তথ্যই জানতে পারি।”
গ্লোবাল নিউজ কানাডাকে ড. এলকিন্স-ট্যান্টন বলেন, “যদি আমরা একটি বিশাল ধাতুর টুকরো ধরতে পারি এবং সেটা পৃথিবীতে নিয়ে আসি, তবে আপনি কি করবেন?”
“আপনি কি এর উপর বসে পড়বেন এবং একে গোপন করে বিশ্বের অন্য সকল সম্পদ যেমন হীরার মতো মূল্যবান ধাতুকে নিয়ন্ত্রণ করে আপনার ব্যাবসার বাজার রক্ষা করবেন? এমনকি আপনি যদি একে পৃথিবীতে ফিরিয়ে এনে মানুষের সকল ধাতব সম্পদের সমস্যা সমাধান করতে চান তবে এটা অবশ্যই একটি বন্য আসক্তি হয়ে যাবে।”
গ্রহাণুটিকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে নিয়ে আসার কোন পরিকল্পনা নাসার নেই কিন্তু এর পরিবর্তে মহাকাশ সংস্থাটি আবিষ্কার করতে চেষ্টা করবে কীভাবে একটি গ্রহ এর স্তর থেকে বিভক্ত হয়েছে। [ডেইলি মেইল- অবলম্বনে]
Read more ...

বিগ ব্যাং নাকি বিগ বাউন্স?




আমাদের জানা মহাবিশ্ব ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে একটি সিঙ্গুলারিটি বিন্দু থেকে শুরু হয়েছিল। ঐ বিন্দু থেকে বিস্ফোরণের পর প্রসারণের মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন বছর সময় পেরিয়ে আজকের এই অবস্থানে এসেছে। এটিই বিগ ব্যাং বা বৃহৎ বিস্ফোরণ তত্ত্ব নামে পরিচিত। বিগ ব্যাং তত্ত্ব প্রদান করার পর থেকে মহাবিশ্বকে ভালোভাবেই ব্যাখ্যা করতে পারছিল। এবং এর সত্যতার পেছনে সমর্থন দেবার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য-প্রমাণও আছে। তবে প্রচুর তথ্য-প্রমাণ ও সমর্থন থাকলেও তা সকল প্রশ্ন বা সমস্যার সমাধান দিতে পারে না। যেমন মহাবিশ্বের একদম প্রাথমিক পর্যায়ে অতিছোট বিন্দুবৎ অবস্থায় থাকার সময়ের ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না বিগ ব্যাং তত্ত্বের মাধ্যমে।

যখন থেকে বিগ ব্যাং তত্ত্বের এই সীমাবদ্ধতা ধরা দেয় তখন থেকেই এর বিকল্প তত্ত্ব অনুসন্ধান শুরু হয়। সময়ে সময়ে মহাবিশ্বকে পরিপূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য বেশ কয়েকটি জটিল তত্ত্ব প্রস্তাবও করা হয়। এর মাঝে একটি হচ্ছে বিগ বাউন্স তত্ত্ব। এই তত্ত্ব আজ থেকে অনেক আগেই প্রস্তাবিত হয়েছিল। তবে প্রস্তাবিত হলেও যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। সম্প্রতি এক দল বিজ্ঞানী এটি নিয়ে কাজ করে একে অধিকতর উপযুক্ত হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের ড. স্টিফেন গিলেন ও কানাডার ইন্সটিটিউট অব থিওরিটিকাল ফিজিক্সের নিল টুরক আছেন এর পেছনে। তারা মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য অধিকতর উপযুক্ত, অধিকতর গ্রহণযোগ্য ও অধিকতর প্রয়োগযোগ্য একটি তত্ত্বের পেছনে কাজ করেন। তাদের গবেষণা শেষে বেরিয়ে আসে বিগ বাউন্স তত্ত্বই বিগ ব্যাংএর চেয়ে বেশি উপযুক্ত।

ফিজিক্যাল রিভিউ লেটার জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রবন্ধে তারা ব্যাখ্যা করছেন কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কিছু নিয়মের প্রভাবে সিঙ্গুলারিটি বিন্দু প্রস্তুত হবে না। হতে চাইলেও ঐ প্রভাব তা দমিয়ে রাখবে। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ঐ প্রভাব কার্যকর আছে বলেই এখনকার পরমাণুর ইলেকট্রনগুলো প্রোটনের আকর্ষণে নিউক্লিয়াসে পড়ে যায় না।

বিগ বাউন্স তত্ত্ব আজ থেকে শত বছর আগেই প্রস্তাব করা হয়েছিল। এই তত্ত্ব অনুসারে মহাবিশ্ব কোনো একটি বিন্দুবৎ অবস্থা থেকে বিস্ফোরণের মাধ্যমে তৈরি হয়নি। মহাবিশ্ব চিরকালই অস্তিত্ববান ছিল। এই তত্ত্ব শুনতে অনেকটা স্থির মহাবিশ্ব তত্ত্বের মতো হলেও এটি স্থির মহাবিশ্বকে বাতিল করে দেয়।

এই তত্ত্ব অনুসারে মহাবিশ্ব সংকোচন ও প্রসারণের চক্রের মাধ্যমে চলছে। অনেকটা বেলুনের মতো, খুব স্থিতিস্থাপক কোনো বেলুনকে ফুলালে ফুলতে ফুলতে একসময় তা ক্রান্তি অবস্থানে এসে পৌঁছাবে। তারপর অল্প অল্প করে বাতাস চলে যেতে দিলে তা ধীরে ধীরে সংকুচিত হবে। সর্বনিম্ন পরিমাণ সংকোচনের পর তা আবার প্রসারিত হওয়া শুরু করবে। বিগ বাউন্স অনুসারে মহাবিশ্ব অনেকটা এরকমই। চক্রাকারে সংকুচিত হচ্ছে এবং প্রসারিত হচ্ছে। যখন সংকোচনের ক্রান্তি পর্যায়ে চলে আসে তখন কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কিছু নিয়মের প্রভাবে আরো সংকোচিত হয়ে ক্ষুদ্র বিন্দু বা সিঙ্গুলারিটি তৈরি করতে পারে না। ঐ অবস্থান থেকে আবার প্রসারণ শুরু হয়ে যায়। চক্রাকার এই ব্যাপারটাকে পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় স্পন্দন হিসেবে ভাবা যেতে পারে।
Read more ...

আসছে থোরিয়াম জ্বালানির মোটর ইঞ্জিন, মাত্র ৮ গ্রামে ১০০ বছর চলবে



আসছে থোরিয়াম জ্বালানির মোটর ইঞ্জিন, মাত্র ৮ গ্রামে ১০০ বছর চলবে- বর্তমানে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় জিনিস হচ্ছে জ্বালানি। বিজ্ঞানীরা নানান গবেষণা চালাচ্ছেন সহজলভ্য এবং দীর্ঘ সময় চলে এমন জ্বালানি তৈরি করতে, সেই ধারাবাহিকতায় এবার বিজ্ঞানিরা তৈরি করছেন থোরিয়ামের সাহায্যে চলবে এমন ইঞ্জিন।
ইতোমধ্যে Laser Power Systems (LPS) নামের মার্কিন কোম্পানি জানিয়েছে তারা এমন এক জ্বালানি ইঞ্জিন তৈরির দ্বার প্রান্তে যাতে একবার জ্বালানি ভরে প্রায় ১০০ বছর ব্যবহার করা যাবে!
Laser Power Systems (LPS) হচ্ছে প্রকৃত পক্ষে একটি প্রতিষ্ঠান যাদের কাজ হচ্ছে এমন এক জ্বালানি খুঁজে বাহির করা যার মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ কম হবে একই সাথে যা স্বল্প ব্যবহারে দীর্ঘ সময় ইঞ্জিন চালাতে পারবে।
Laser Power Systems (LPS) গবেষণায় দেখা গেছে থোরিয়াম হচ্ছে তেমন একটি জ্বালানি যা খুবি অল্প পরিমাণে মেশিনকে নিয়ে যেতে পারবে চরম অবস্থায়। একই সাথে থোরিয়াম পরিবেশের জন্যও ঝুঁকি পূর্ণ নয়। থোরিয়াম জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের প্রচেষ্টা সেই ২০০৯ সাল থেকেই শুরু হয়েছে।
থোরিয়াম ব্যবহারযোগ্য ইঞ্জিন তৈরির ক্ষেত্রে গবেষকরা নানান গবেষণা এবং অনেক ইঞ্জিন পর্যবেক্ষণ শেষে ৫০০ পাউন্ড ওজনের সাধারণ গাড়ির ইঞ্জিনের মতোই দেখতে একটি ইঞ্জিন তৈরি করেছেন যা সফল ভাবেই থোরিয়াম জ্বালানি ব্যবহার করতে পারে।
এই ইঞ্জিনে মাত্র ৮ গ্রাম থোরিয়াম দিয়ে একটি গাড়ি প্রায় ১০০ বছর রাস্তায় চলতে পারবে মাঝে তাকে আর জ্বালানি নিতে হবেনা।Laser Power Systems (LPS) এর প্রধান নির্বাহী Charles Stevens বলেন, “থোরিয়াম একটি উচ্চ ক্ষমতায় জ্বালানি এটির সামান্য পরিমাণ দিয়ে একটি গাড়ি অনেক পথ যেতে পারবে একই সাথে মাত্র ১ গ্রাম থোরিয়াম ৭৩৯৬ গ্যালন অর্থাৎ ২৮,০০০ লিটার পেট্রোলের সমান।
“এছাড়া থোরিয়াম ক্ষমতার দিক দিয়ে এবং নিরাপত্তার দিক দিয়ে পারমাণবিক শক্তি ইউরিয়াম থেকে অনেক নিরাপদ। ফলে জ্বালানি ইউরিনিয়ামের বিকল্প হিসেবে থোরিয়াম ব্যবহার করা যেতে পারে যাতে পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তাও নেই।
Read more ...